ড্রাগন ও মাল্টা চাষে সফল ঠাঁকুরগাঁয়ের কলেজ শিক্ষক

স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে পরিতক্ত জমিতে করেছেন ফলের বাগান। যেখানে রয়েছে ড্রাগন ও মাল্টার গাছ। সারিবদ্ধ এই বাগানের একদিকে যেমন ঝুলছে মাল্টা অপরদিকে ঝুলছে ড্রাগন ফল।

এক সময়ের এই পরিতক্ত জমিটি আজ যেন এই শিক্ষকের একটি বড় স্বপ্ন পূরণের বাস্তবতা। শুধু মাল্টা কিনবা ড্রাগন ফল নয় ৬০ শতক জমিতে রয়েছে পেঁপে ও দেশি আদাও।

বাগান করে যেমনটি তিনি সফল,তেমনি এলাকায় অন্যদের মধ্যেই বাগান করার আাগ্রহ বাড়িয়েছেন এই শিক্ষক। স্থানীয়দের নজর কেরেছে তার এই বাগান।
নিজের জমিতে লাগানো ফলের পরিচর্যায় ব্যস্ত এই শিক্ষক। যদিও বাগানটি দেখা শুনার জন্য রাখা হয়েছে একজনকে। তারপরও থেমে নেই নিজেও। আজ নিজের স্বপ্ন পূরণে যেন আনন্দিত শিক্ষক সাদেকুল। স্থানীয় এলাকাবাসী সহ দূর দূরান্ত থেকে অনেকেই আসছেন তার এই বাগান দেখতে। শিক্ষক সাদেকুলের সফলতার গল্প শুনে আজ অনেকইে আগ্রহ দেখাচ্ছেন বাগান করার।

তিন বছর আগে অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষক আবু জাফর সাদেকুল জানতে পাড়েন ড্রাগন চাষের বিষয়টি। পরবর্তীতে তিনি তারা পরিত্যাক্ত জমিটি সেই কাজেই ব্যবহার শুরু করেন। পরে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে শুরু করা হয় তার ফলের বাগান। যদিও ড্রাগন চাষ একেবারেই ছিলো নতুন। পাশাপাশি একই জমিতে করা হয়েছে মাল্টার চাষ। অল্প দিনেই বেড়ে উঠে তার বাগান। শুরুর দিকে প্রায় আড়াই লাখ টাকা ব্যয় করে এই বাগানের কাজ শুরু করেছিলেন তিনি। যদিও সেই সময় নিজের প্রতি ছিলোনা তেমন ভরসা।

তবে মনে ছিলো সফলতার স্বপ্ন। আজ যেন তার সেই স্বপ্ন যেন বাস্তবে নিয়ে রূপ। বাগান করার ২ বছরের মধ্যেই খরচের চেয়ে বেশি আয় হয় এই শিক্ষকের। বাজারে এক বছরে ১ লাখ টাকার মতো বিক্রি করেন সেই বাগানের ফল। অল্প খরচেই যেন অধিক লাভ করেছেন তিনি। আজ নিজ এলাকায় একজন সফল বাগান চাষি বলে পরিচতি লাভ করেছেন শিক্ষক সাদেকুল।

শিক্ষক সাদেকুলের সফলতায় বাগান করার বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছেন স্থানীয়রাও।
এভাবে ভিন্ন ভিন্ন ফল চাষের মাধ্যমে সমাজের বেকারত্ব কমে আসবে, সেই সাথে অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বী হবে যে কেউ এমনি প্রত্যাশা এই শিক্ষকের।
ফসল সম্প্রসারণের মাধ্যমে কৃষির উন্নয়ন হবে বলে মনে করেন জেলার এই কৃষি কর্মকর্তা।

পাঠকের মতামত

আরো খবর

ফেসবুকে আমরা

আমাদের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ